ফ্রিল্যান্সিং কি (What Is Freelancing in Bangla) কিভাবে শিখবো, কাজ করবো ও কিভাবে এর মাধ্যমে আয় করবো

Spread the love

ফ্রিল্যান্সিং কি (What Is Freelancing in Bangla) কিভাবে শিখবো, কাজ করবো ও কিভাবে এর মাধ্যমে আয় করবো :

ফ্রিল্যান্সিং কি – What Is Freelancing in Bangla

ফ্রিল্যান্সিং কি
ফ্রিল্যান্সিং কি

বন্ধুরা সহজ ভাষায় বোঝাতে গেলে বলা যায় কোনো কম্পানির বা ব্যক্তির অধীনে না থেকে নিজের সময় সুবিধে মতন মুক্তভাবে কাজ করাকেই ফ্রিল্যান্সিং বলে। যেমন ধরুন আপনি কোনো কম্পানিতে চাকরি করেন না কিন্তু ওই নির্দিষ্ট কম্পানির কোনো নির্দিষ্ট প্রজেক্টে কাজ করবার জন্য আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে Apply করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময়ে সেই কাজটি করে কম্পানিকে দিতে হবে।এই কাজটি হলো “ফ্রিল্যান্সিং.

বর্তমান সময়ে  Freelancing কে ব্যবসা করে অনেকেই ঘরে বসে হাজার হাজার টাকা আয় করছেন এবং  অনেকেই এতো টাকা ইনকাম করে নিচ্ছেন, যে কোনো Full Time Job বা Service থেকেও এতো আয় করা সম্ভব না.পুরোটা আলোচনার পর আপনি বুঝে যাবেন যে, আসলে Freelancing কি এবং এর দ্বারা Online টাকা আয় করাটা আপনার জন্য কতটা সম্ভব হতেপারে.

Freelancing এর ধারণা

সোজা ভাবে বললে, Freelancing এমন একটি আলাদা মাধ্যম বা উপায়, যার দ্বারা আপনারা Online কাজ করে টাকা আয় করতে পারবেন। এমনিতে, একটি Service করা ব্যক্তিকে সকাল ১০ থেকে বিকেল ৬ পর্যন্ত অফিসে গিয়ে এক ধরণের কাজ করতেই হবে.কিন্তু, Freelancing এর মাধ্যমে কাজ করা লোকেরা Self-Employed থাকেন. তাই, ফ্রিল্যান্সিং এর মানেই হলো স্বাধীন ভাবে কাজ করা বা Freelance. এটাও এক ধরণের ব্যবসা বললে আমি ভুল হবোনা.

বন্ধুরা এই প্রক্রিয়াতে লোকেরা, Online এ  বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে কাজ খুঁজে নিজের ইচ্ছে হিসেবে কাজ করেন। এক্ষেত্রে, যারা এভাবে স্বাধীন হয়ে Freelancing এর কাজ করেন, তাদেরFreelancer বলা হয়.বর্তমানে, Internet, Social Media এবং বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলির মাধ্যমে, এই ফ্রিল্যান্সাররা নানান ধরণের কাজ, Project বা Service খুঁজে, সেগুলি তারা তাদের Clients দের জন্য নির্ধারিত সময়ে পুরো করছেন। এবং, কাজ বা Project পুরো করার বিনিময়ে তাদের ক্লায়েন্টরা তাদেরকে টাকা দিচ্ছেন.

আজকে আপনি যে Project বা কাজ করবেন বলে ভাবছেন, তার জন্য কত টাকা নেবেন, সেটা আপনার ক্লায়েন্ট এর সাথে আগেই ঠিক করে নিতে পারবেন এবং সঠিক ভাবে কাজ শেষ হওয়ার পর যেন আপনার টাকা আপনাকে দিয়ে দেয়া হয়.

Freelancing এর মাধ্যমে কাজ করার সুবিধা কেমন হবে ?

  1. Freelancing এর কাজে আপনি নিজেই ঠিক করতে পারবেন যে, আপনি কতটা সময় কাজ করতে চান, কতটুকু কাজ করতে চান এবং এই কাজ আপনি Part-Time করবেন না Full-Time.
  2. Freelancing এর মাধ্যমে নেয়া কাজ গুলি করার জন্য আপনার কোনো বিশেষ জায়গার প্রয়োজন হবেনা। কারণ, প্রায় সব ধরণের কাজ করার জন্য আপনার কেবল একটি Laptop বা Computer এবং তার সাথে Internet Connection প্রয়োজন.
  3. Freelancing কে আমরা একটি ব্যবসা হিসেবেও নিয়ে কাজ করতে পারি.
  4. পুরো কাজটাই আপনি নিজের ঘরে বসে বসেই করতে পারবেন.

সোজা কথায়, ফ্রিল্যান্সিং কি বা কাকে বলে ?

Freelancing মানে হলো, যেই কাজের বিষয়ে বিশেষ অভিজ্ঞতা বা দক্ষতা আপনার আছে, তার সাথে জড়িত কাজ অন্যদের জন্য করা এবং তার বিনিময়ে টাকা নেয়া.আপনি যদি কাজ জানেন তাহলে অন্যরা তাদের প্রয়োজন হিসেবে আপনাকে কাজ দিবে এবং আপনার কাজ নির্ধারিত সময়ে সেই কাজ তাকে করে দিতে হবে.

এরজন্য আপনার এমন কিছু দক্ষতা বা কাজ জানা থাকতে হবে, যেগুলি লোকেরা আপনার থেকে কিনতে চাইবেন বা করাতে চাইবেন.এছাড়া, এমন ভাবেও বলা যেতে পারে যে, Freelancing হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আপনি আপনার জানা কাজ বা দক্ষতা ব্যবহার করে অন্যদের জন্য কাজ করেন.বন্ধুরা Freelancing এ আপনি বিভিন্ন ধরণের কাজ করতে পারবেন. যেমন, Writing, Designing, Digital Services, Selling Services বা যেকোনো অন্য কাজ যেটা আপনি জানেন এবং যেটা লোকেরা আপনাকে দিয়ে করাতে চায়.এই কাজগুলি, ঘন্টায়, Daily, সপ্তাহিক বা মাস  হিসেবে করতে পারবেন.

তাহলে, আমি এটাই বলবো, যদি আপনি Freelancing এর কাজ করতে চান এবং এখান থেকে Online এ টাকা আয় করতে চান, তাহলে সবচে আগেই এটা দেখতে হবে যে, আপনার মধ্যে এমন কি বিশেষ ট্যালেন্ট (Talent), কোয়ালিটি, দক্ষতা (Skills) রয়েছে যার বিনিময়ে লোকেরা আপনার ওপরে ভরসা করে কাজ দেবেন.এখন ফ্রিল্যান্সিং কি বা Freelancer কাকে বলে, এ সম্পর্কে হয়তো আপনার ভালো ভাবে জ্ঞান হয়ে গেছে।তাহলে, চলুন এখন আমরা Freelancing এর বিষয়ে আরো কিছু জেনেনেই.

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন – How to start Freelancing in Bangla

বন্ধুরা এখন হচ্ছে ইন্টারনেট এর যুগ এবং এমন কোন জায়গা নেই যেখানে এর ব্যবহার হচ্ছে না. আর  Freelancing এর কাজ করার জন্য, সর্ব প্রথম যে জিনিস আপনার লাগবে, সেটা হলো Internet.সে নিজের জন্য কাজ খোঁজার থেকে আরম্ভ করে, কাজটি তৈরি করে আপনার Client কে জমা দেয়া, সবটাই ইন্টারনেটের মাধ্যমেই বিভিন্ন Freelancing ওয়েবসাইট গুলিতে গিয়ে  আপনাকে  করতে হবে.

এছাড়া, এই মাধ্যমে টাকা আয় করার জন্য আপনার প্রচুর নতুন নতুন কাজ বা প্রজেক্টস (Projects) এর প্রয়োজন হবে.তার জন্য আপনাকে, নিজের কাজ বা দক্ষতার প্রচার বা Marketing ইন্টারনেটের দ্বারা বিভিন্ন Social মিডিয়া প্লাটফর্ম (Platform) গুলিতে গিয়ে করতে হবে। যেমন, Social Media Websites, Social Media Groups, Freelancing Marketplace আরো অনেক.

নিজের দক্ষতা (Skills) প্রচার বা Marketing করলে, লোকেরা জানতে পারবেন যে আপনি কোন কাজের বিশেষজ্ঞ বা Expert এবং কোন কাজ আপনি তাদের জন্য করতে পারবেন.এতে, ভবিষ্যতে আপনার দক্ষতার (Skills) সাথে জড়িত বিভিন্ন Project বা কাজ Online এ পেয়ে যাওয়ার সুযোগও বেড়ে যাবে.

উদাহরণ স্বরূপ:-

বন্ধুরা আমি Blogging, SEO এবং Blog, Website তৈরি করতে Expert. এক্ষেত্রে, আমি যদি লোকেদের আমার দক্ষতার বা Knowledge এর ব্যাপারে না জানাই, তাহলে তারা জানবেন কিভাবে যে আমি তাদের জন্য SEO বা website এর সাথে জড়িত কাজ গুলি করে দিতে পারবো. তাই তো….?

তাই, freelancing এর ক্যারিয়ার শুরু করার সাথে সাথে, নিজের কাজের Knowledge, অভিজ্ঞতা, দক্ষতার Online এ  প্রচার বা Marketing করাটা অনেক জরুরি.মনে রাখবেন, Online এ যেকোনো মাধ্যমে যখন লোকেরা আপনাকে কোনো কাজ বা Project দিবেন, তখন তারা আপনার ওপরে অনেক ভরসা করেই সেই কাজটি দিবেন.

তাই, আপনার কাজের ভালো নাম, কাজের অভিজ্ঞতা, ভালো দক্ষতা এগুলি হবে আপনার ব্র্যান্ড (Brand) বা নামের পরিচয়। এবং, আপনার Freelancing Career এ একটি ভালো ব্র্যান্ড বা নাম তৈরি করতে পারলেই, অধিক লোকেরা সহজে আপনার ওপরে ভরসা করে কাজ বা Project দিবেন.

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার কিভাবে শুরু করবো ?

বন্ধুরা Freelancing Career শুরু করার জন্যআপনি নিচে দেয়া Step গুলি এক এক করে জেনে নিতে পারেন :-

১. নিজের লক্ষ্য ঠিক ভাবে সেট করুন

সর্ব প্রথম আপনার কিছু জিনিস বা লক্ষ্য সঠিক ভাবে সেট করে নিতে হবে. যেমন, আপনি এই মাধ্যমে কতটুকু কাজ করতে চান ? কতটা সময় দিতে চান ? আপনি কি, নিজের চাকরির সাথে সাথে এই কাজ চালিয়ে যাবেন এবং Part-Time ইনকাম করবেন না কি Full Time ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং করবেন.এসব  ব্যাপারে প্রথমেই ঠিক করে নিতে হবে। এর পর আপনি আপনার লক্ষ হিসেবে এগিয়ে যেতে পারবেন.

২. কোন কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন ?

এরপর  আপনার নিজের কাজের Topic বা Subject কি হবে সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। আপনি যেকোনো একটি বিষয় নিয়ে কাজ খুঁজতে ও করতে পারবেন.

যেমন :- Content Writing, Web Designing, Coding এর কাজ, Logo Designing, SEO Services, Video Creating, Video Editing, Content Marketing বা আরো অনেক কাজ নিয়ে আপনি শুরু করতে পারবেন.কিন্তু, আপনি যে ধরনের কাজ বা Topic নিয়ে Freelancing করবেন ভাবছেন, সেই বিষয় বেঁচে নেয়ার আগেই ৪ জিনিস অবশই দেখবেন :-

  1. আপনার বেছে নেওয়া Topic এমন হতে হবে যার বিষয়ে আপনার পুরো অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং জ্ঞান রয়েছে.
  2. যে সব কাজ করে এবং যার বিষয়ে নতুন নতুন জিনিস শিখে আপনি আরো ভালো পাবেন সেই কাজ করবেন.
  3. আপনি যে বিষয় বা টপিক Target করে ফ্রিল্যান্সিং করবেন ভাবছেন, সেই বিষয়ের এর মার্কেটে কতটা প্রয়োজন এবং চাহিদা আছে সেটা জানা জরুরি.
  4. এমন বিষয় বা Topic নিয়ে কাজ করতে হবে, যেই বিষয়ে আপনার আবেগ (Passion) রয়েছে। যে কাজ করে আপনি বিরক্ত (Bore) হবেননা এবং বেশি সময় ধরে কাজ করতে পারবেন.

তাহলে, Freelancing Business এর জন্য কোন বিষয় নিয়ে কাজ করবেন, সেটার সিদ্ধান্ত নেয়ার আগেই ওপরে বলা ৪ টি পয়েন্ট অবশই মনে রাখবেন.

৩. যে সব Freelancing Site এ কাজ করবেন ?

বন্ধুরা Freelancing ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য আপনি বিভিন্ন অনলাইন Freelancing Site বা মার্কেটপ্লেস গুলিতে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারবেন.এই ধরণের Site গুলিতে বিভিন্ন Employer বা Clients রা বিভিন্ন ধরণের কাজ করানোর জন্য Freelancer দের খোঁজ করেন এবং, Freelancer রা নতুন নতুন কাজ খোঁজার জন্য এই Site গুলিকে ব্যবহার করেন.

মনে রাখবেন, এই Site গুলিতে হাজার হাজার লোকেরা বিভিন্ন ধরণের কাজ করানোর জন্য বিশ্বাসী Freelancer দের খোঁজ করেন এবং, আপনি যদি প্রথমেই নিজের Client এর জন্য সময় মতো ভালো ভাবে কাজ করে দিতে পারেন, তাহলে আপনার Career এ অনেক ভালো প্রভাব ফেলবে.

আমি আগেই বলেছি- এই কাজে পুরোটাই বিশ্বাসের ওপরে নির্ভর। তাই আপনি যদি সত্যি কথা বলে সঠিক সময়ে নিজের কাজ ভালো করে পুরো করে Client কে জমা দেন, তাহলে এতে সহজে টাকা পেয়ে যাওয়ার সাথে সাথে আপনার প্রতি অন্যদের ভরসাও বেড়ে যাবে.এতে, আপনার একটি ভালো পরিচয় তৈরি হয়ে যাবে এবং পরের বারের জন্য আপনাকে কাজ দিতে লোকেরা ভাববেন না.তাহলে আসুন, এখন আমরা দেখে নেই, ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করার জন্য আমরা কোন কোন Site/Platform ব্যবহার করতে পারি.

১. Fiverr 

Fiverr অনেক পুরোনো, বিশ্বাসী এবং অনেক প্রচলিত Freelancing Website যেখানে আপনি অনেক ধরণের কাজ করতে পারবেন। এখানে প্রত্যেকটি কাজ ৫ ডলার থেকে শুরু হয়। Graphic Designing, Digital Marketing, Content Writing, Programming বা Video & Animationএরকম অনেক ধরণের বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারবেন.

২. Upwork

Upwork আজকের দিনে অনেক নাম করা একটি Freelancing Site, যেখানে ১২ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করছে এবং টাকা আয় করছেন। প্রত্যেক বছর এখানে ৩ মিলিয়নের অধিক কাজ পোস্ট করা হয়। এখানে প্রায়, সব ধরণের কাজের জন্য লোকেরা Freelancer দের খোঁজেন.

৩. Freelancer

বন্ধুরা Freelancer আপনারা প্রায় সব ধরণের কাজের জন্য Clients পেয়ে যাবেন. ১৩৫০ টি আলাদা আলাদা ক্যাটাগরিতে (Category) এখানে লোকেরা কাজ করছেন। এবং, সেগুলির মধ্যে কিছু হলো :- Accounting, Finance, Internet Marketing, SEO, PHOTOSHOP, Graphic Designing, Web Design, Mobile App এবং আরো অনেক অনেক বিষয় নিয়ে এখানে কাজ পেয়ে যাবেন.

Freelancing Site গুলিতে গিয়ে কি করবেন ?

এই Website গুলিতে গিয়ে, নিজের একটি Profile বা Account বানাতে হবে. আপনি আপনার একাউন্ট বানিয়ে তারপর নিজের প্রোফাইলে, কাজের অভিজ্ঞতা, আপনার Social Profiles, পড়াশুনা , নিজের প্রোফাইল পিকচার, দক্ষতা, সবটার বিষয়েই লিখতে হবে.

আপনার প্রোফাইলে এটাও লিখুন যে, আপনি আপনার Clients বা Employer দের জন্য কিভাবে এবং কি কি কাজ করতে পারবেন. তাছাড়া, তারা তাদের কাজের জন্য আপনাকেই কেন বেছে নিবেন তার একটি ছোট কারণ লিখুন.বিভিন্ন, Freelancing Site গুলিতে যেগুলিতে আপনারা কাজ করতে চান, Profile বানিয়ে আমি ওপরে বলা মতে Details গুলি লিখুন.

এতে, বিভিন্ন Employers বা Clients রা যারা কাজ করাতে চান, তারা আপনার এবং আপনার কাজের অভিজ্ঞতার ব্যাপারে সহজে জেনে নিতে পারবেন এবং এতে এই সাইট গুলির থেকে কাজ পাওয়ার সুযোগ বেড়ে যায়.

বন্ধুরা যতটাই বেশি কাজ আপনি পাবেন, ততটাই বেশি টাকা আয় করার সুযোগ আপনার কাছে থাকবে.আপনাকে দেওয়া কাজ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে করে আপনি আপনার Client বা Employer কে জমা দেয়ার পর, আপনাকে কাজটির জন্য যত টাকা দেয়ার কথা হয়েছিল, সেটা আপনাকে দিয়ে দেয়া হবে এবং, এভাবেই Freelancing এর মাধ্যমে অনলাইন  নিজের Interest, অভিজ্ঞতা বা দক্ষতার সাথে জড়িত কাজ খুঁজে সেগুলি করতে পারবেন আর ঘরে বসে টাকা আয় করতে পারবেন

Freelancing থেকে কত টাকা আয় করা যাবে ?

বন্ধুরা Freelancing করে টাকা আয় করার কোনো সীমা নেই। এটাও এক রকমের ব্যবসা, যেখানে আপনার কাছে যত বেশি কাজ আসবে এবং যত বেশি কাজ আপনি করে দিতে পারবেন, ততটাই বেশি আপনার Income হবে.PayPal এর একটি Survey বা Report হিসেবে, ২৩ % ভারতীয় Freelancer রা ৬০ লক্ষ টাকা প্রত্যেক বছরে আয় করছে.

বাকি ২৩% রা ২.৫ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার ভেতরে টাকা আয় করছেন। তাছাড়া, বাকি ৫৪ % Freelancer রা ২.৫ লক্ষ থেকেও কম টাকা বছরে আয় করছেন.তাই, সোজা ভাবে বললে, Freelancing এ ক্যারিয়ার বানালে লাভ আছে এবং এর থেকে আপনি লক্ষ লক্ষ টাকা ঘরে বসেই আয় করতে পারবেন কিন্তু, আপনাকে ভরসা করে কতজন কাজ দিচ্ছে এবং কতটা কাজ আপনি সম্পূর্ণ করতে পারছেন, সেটার ওপরে আপনার আয় নির্ভর করবে.

আজ, Online এবং ইন্টারনেটের দুনিয়াতে সুযোগ অনেক রয়েছে। লক্ষ লক্ষ লোকেরা, বিভিন্ন ছোট ছোট কাজের জন্য, একজন কর্মচারী রেখে তাকে মাসে মাসে টাকা দেয়ার থেকে, একজন Freelancer কে দিয়ে সেই কাজ অনেক কম টাকায় সহজে করিয়ে নিচ্ছেন.কোনো বিশেষ কাজে, আপনার যত বেশি অভিজ্ঞতা থাকবে, ততটাই বেশি টাকা আপনি প্রত্যেক কাজের জন্য Charge করতে পারবেন.

কোন Freelancing কোর্স শিখতে হবে ?

সোজা ভাবে বললে, Freelance করার জন্য বা শেখার জন্য কোনো Course করার প্রয়োজন আমাদের হয় না.এমন কিছু সাধারণ জ্ঞান যেমন, কিভাবে Freelancing শুরু করবো, কোন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজ খুঁজবো এবং প্রথমেই আমাদের কি কি করতে হবে, এগুলির ব্যাপারে জেনে নিতে হবে এবং এগুলির ব্যাপারে সবটাই আমি ওপরে বলেছি. এখন Freelancing কোর্স বলেতো বিশেষ কিছুনা নেই, যদিও আপনি Freelancing এর কাজ করার জন্য, কিছু বিশেষ কোর্স করতে পারেন, এবং যেগুলি শেখার পর আপনারা ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শুরু করতে পারবেন. যেমন :-

Website Developing

বন্ধুরা এই ব্যাপারে আমি আপনাদের না বললেও চলবে. কারণ, আজকাল Website বানানোর কাজ জানাটা কতটা লাভজনক সেটা আমরা সবাই জানি.

Article Writing 

আপনার যদি লেখার অভিজ্ঞতা বা দক্ষতা রয়েছে বা আপনি Article লেখার একটি কোর্স করে, ভালো ভাবে এই শিল্প  শিখতে পারেন, তাহলে বিভিন্ন ব্লগ বা Company র ওয়েবসাইটের জন্য লিখতে পারবেন.

Graphic Design

বন্ধুরা আজকাল Marketing, Logo বানানো এবং প্রায় অনেক কাজেই Graphic Designer দের প্রয়োজন হয়। তাই, এই কোর্স আপনার জন্য লাভজনক হতে পারে.

Coding

আজকাল, Web Development বা Application Building এর কাজে বিভিন্ন Coding Language এর প্রয়োজন হয়. এক্ষেত্রে, আপনার যদি কোনো বিশেষ Coding Language এর জ্ঞান বা দক্ষতা থাকে, তাহলে এর সাথে জড়িত অনেক কাজ পেয়ে যাবেন.

Video Editing

বিভিন্ন Company বা Online Marketer রা নিজের ব্র্যান্ড এর জন্য Video Editing করান. তাই এই ব্যাপারে Course করলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে অনেক কাজ পেতে পারবেন.

বন্ধুরা এগুলি ছাড়াও, অনেক আরো Course রয়েছে, যেগুলি করে নিজেকে একজন Expert বানিয়ে আপনি Freelancing এর দুনিয়াতে আসতে পারবেন.

আমাদের শেষ কথা

তাই বন্ধুরা, আমি আশা করি আপনি অবশ্যই একটি Article পছন্দ করেছেন (ফ্রিল্যান্সিং কি (What Is Freelancing in Bangla) কিভাবে শিখবো, কাজ করবো ও কিভাবে এর মাধ্যমে আয় করবো)। আমি সর্বদা এই কামনা করি যে আপনি সর্বদা সঠিক তথ্য পান। এই পোস্টটি সম্পর্কে আপনার যদি কোনও সন্দেহ থাকে তবে আপনাকে অবশ্যই নীচে মন্তব্য করে আমাদের জানান। শেষ অবধি, যদি আপনি Article পছন্দ করেন (ফ্রিল্যান্সিং কি (What Is Freelancing in Bangla)), তবে অবশ্যই Article টি সমস্ত Social Media Platforms এবং আপনার বন্ধুদের সাথে Share করুন।


Spread the love

Leave a Comment

error: